উচ্চ মূল্যস্ফীতির এই সময়ে করমুক্ত আয়সীমা বাড়েনি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সংগৃহীত ছবি

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা বাড়েনি। আগের মতোই বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। বরং ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৩০ শতাংশ হারে নতুন একটি কর স্তর তৈরি করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করে তিনি কর স্তর পুনর্বিন্যাস করারও প্রস্তাব করেছেন।

এখন ৫, ১০, ১৫, ২০ ও ২৫ শতাংশ করহারের পর উচ্চস্তরে আরেকটি করহার এসেছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম সাড়ে তিন লাখ টাকার পর প্রথম এক লাখ টাকার জন্য ৫ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকার জন্য ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার জন্য ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকা আয়ের জন্য ২৫ শতাংশ কর দিতে হবে। বাকি অর্থের ওপর কর বসবে নতুন ৩০ শতাংশ হারে।

universel cardiac hospital

এ ছাড়া মহিলা করদাতা এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা হলো চার লাখ টাকা। তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা ও প্রতিবন্ধী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়সীমা হবে পৌনে পাঁচ লাখ টাকা। গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা পাঁচ লাখ টাকা হবে। আর প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের প্রত্যেক সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা আরও ৫০ হাজার টাকা বেশি হবে।

দেশে যখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি চলমান, তখন ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন মহল থেকে দাবি জানানো হয়েছিল। গত মে মাসেও মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশের ছিল কাছাকাছি। টানা ১৫ মাস ধরে দেশে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপর রয়েছে। নির্দিষ্ট আয়ের মানুষকে খাদ্য কিনতে আয়ের বেশিরভাগ অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। গত মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশের ওপর।

শেয়ার করুন