গাজায় বড় পরিসরে আক্রমণ চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। আক্রমণের মাধ্যমে সেখানকার জনগণকে সরিয়ে নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে দখল করা অঞ্চল ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে। বুধবার (২ এপ্রিল) উগ্র ইহুদিবাদি সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এমনটাই বলেছেন।
এক বিবৃতিতে কাটজ বলেন, ইসরায়েলি বাহিনী শিগগিরই গাজার অতিরিক্ত এলাকায় পূর্ণ শক্তি দিয়ে অভিযান চালাবে। যুদ্ধরত এলাকাগুলো লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হবে। জায়গাগুলো ইসরায়েলি নিরাপত্তা অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহর এবং খান ইউনিস শহরের আশেপাশে বসবাসকারী গাজার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা জারি করেছে। তাদেরকে উপকূলের আল-মাওয়াসি এলাকায় চলে যেতে বলা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় তীব্র বিমান হামলা শুরু করে নেতানিয়াহুর উগ্র ইহুদিবাদি সরকার। এরপর থেকে নতুন করে স্থল আক্রমণও চালাচ্ছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের গণহত্যার যুদ্ধে গাজায় কমপক্ষে ৫০ হাজার ৩৫৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে নারী ও শিশু।
ফিলিস্তিনি নাগরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, খান ইউনিসে আজও তাদের লোকজন কমপক্ষে ১২টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।
ফিলিস্তিনি রেডিও জানিয়েছে, গাজার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার ইসরায়েলি নির্দেশের পর রাফাহ অঞ্চলের আশেপাশের এলাকা প্রায় সম্পূর্ণ খালি দেখা গেছে।
ইসরায়েলি অধিকার গোষ্ঠী গিশার মতে, ইসরায়েল ইতিমধ্যেই গাজার প্রায় ৬২ বর্গকিলোমিটার বা মোট এলাকার প্রায় ১৭% নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।