৫ লাখ টাকা পর্যন্ত রেমিট্যান্সে বিনা শর্তে প্রণোদনা

মত ও পথ প্রতিবেদক

এক হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠালেই মিলবে প্রণোদনা
রেমিট্যান্স

বর্তমানে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত রেমিট্যান্সের প্রণোদনায় কোনো ধরনের কাগজপত্র লাগে না। এর আওতা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে প্রবাসীদের পাঠানো পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার বা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত রেমিট্যান্সে বিনা শর্তে কোনো ধরনের কাগজপত্র ছাড়াই প্রণোদনার অর্থ প্রদান করা হবে।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১ জুলাই তারিখ থেকে এটি কার্যকর হবে। পাশাপাশি পাঁচ লাখ টাকার ওপরে কাগজপত্র জমা দেয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে।

এতদিন প্রণোদনা পেতে হলে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রাপক ওঠানোর ১৫ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হতো। এখন তা বাড়িয়ে ২ মাস করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে দুই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। প্রবাসীরা বৈধ পথে ১০০ টাকা দেশে রেমিট্যান্স পাঠালে ১০০ টাকার সঙ্গে ২ টাকা যোগ করে ১০২ টাকা তুলতে পারছেন। প্রণোদনার অর্থ পরিশোধের জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে তিন হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, এতোদিন দেড় লাখ টাকার নিচে পাঠানো অর্থের বিপরীতে রেমিট্যান্সের নগদ প্রণোদনা পাওয়ার জন্য কোনো কাগজপত্র লাগতো না। তবে দেড় লাখ টাকার বেশি রেমিট্যান্সের নগদ প্রণোদনা পাওয়ার জন্য রেমিট্যান্স প্রদানকারী ব্যাংকের শাখায় পাসপোর্টের কপি এবং বিদেশি নিয়োগদাতার দেওয়া নিয়োগপত্রের কপি জমা দিতে হয়। রেমিট্যান্স প্রেরণকারী ব্যক্তি ব্যবসায় নিয়োজিত হলে ব্যবসার লাইসেন্সের দিতে হতো।

মঙ্গলবার ওই সার্কুলারের কিছু পরিবর্তন এনে নতুন আরেকটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাতে বলা হয়েছে, বর্তমানে সার্বিক অবস্থায় গ্রাহকের সুবিধা বিবেচনা করে রেমিট্যান্সের ওপর প্রতিবারে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার ডলার বা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ প্রেরণের জন্য কাগজপত্র ছাড়াই প্রণোদনা সুবিধা পাওয়া যাবে। এ সুবিধা ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

সার্কুলারের আরও বলা হয়েছে, পাঁচ লাখ টাকার বেশি রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রাপক কর্তৃক কাগজপত্র ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে দাখিল করার বাধ্যবাধকতা শিথিল করে কাগজপত্রাদি দাখিলের সময়সীমা দুই মাস পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। আগামী ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সুবিধা বহাল থাকবে।

এছাড়া আগের সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে বলে নতুন সার্কুলারে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন
  • 56
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    56
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here