মিশা-জায়েদের হাতেই চলচ্চিত্র সমিতির নেতৃত্ব

বিনোদন প্রতিবেদক

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর মিশা-জায়েদ প্যানেলের সদস্যরা
নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর মিশা-জায়েদ প্যানেলের সদস্যরা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আবারো জয় পেয়েছে মিশা-জায়েদ প্যানেল। এ প্যানেলের সবাই ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দিনগত রাত দেড়টার দিকে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন।

আর এই ফলাফলের মধ্য দিয়ে মিশার কাছে পরাজিত হয়েছেন সভাপতি প্রার্থী মৌসুমী।

সহ-সভাপতি পদে মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও রুবেল নির্বাচিত হন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আরমান সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক ইমন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে জাকির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদ নির্বাচিত হয়েছেন। পাশাপাশি, সুব্রত, জ্যাকি আলমগীর এবং ফরহাদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। 

কার্যকরি পরিষদ সদস্যের ১১টি পদের জন্য প্রার্থী হয়েছিলেন ১৪ জন। এর মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন অঞ্জনা সুলতানা, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ, আফজাল শরীফ, বাপ্পারাজ, আসিফ ইকবাল, আলেকজান্ডার বো, জেসমিন, জয় চৌধুরী ও মারুফ।

জানা যায়, ফলাফল ঘোষণার আগেই এফডিসি প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেছেন মৌসুমী।

বিএফডিসি শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ২০১৯-২১ মেয়াদের নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৮৬ শতাংশ। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ৪৪৯ জন। নির্বাচন কমিশনের সূত্রমতে, ভোট দিয়েছেন ৩৮৬ জন।

ভোটের আগে নানা জল্পনা-কল্পনা থাকলেও সব কিছু শেষে ভোট গ্রহণের দিনে প্রার্থীরা নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টির কথাই জানান।

শিল্পী সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। আর নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ছিলেন পীরজাদা শহিদুল হারুন ও বিএইচ নিশান। আপীল বোর্ডে চেয়ারম্যান হিসেবে আলম খান, সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সোহানুর রহমান সোহান ও রশিদুল আমিন হলি।

নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশ মোতায়েন করে এফডিসিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। শুধু ভোটার, সাংবাদিক ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের এফডিসির গেট দিয়ে ঢুকতে দেয়া হয়। ভোটাররা এফডিসির গেটে পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভোট দিতে প্রবেশ করেন। বিশেষ পরিচয়পত্র নিয়ে সাংবাদিকরা ভেতরে প্রবেশ করেন।

নির্বাচনের ফলাফলের বিরুদ্ধে কেউ আপিল করতে চাইলে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের কাছে আপিল ফি (২০০০ টাকা) জমা দিয়ে আপিল করতে পারবেন। আপিল দাখিলের শেষ তারিখ ২৭ অক্টোবর। নির্বাচনী আপিল বোর্ডের আপত্তির শুনানী ও নিষ্পত্তির তারিখ ২৯ অক্টোবর। নির্বাচনী চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে বিদায়ী পরিষদ নবনির্বাচিত পরিষদকে দায়িত্ব অর্পণ করবেন।

শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    5
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here